আ’লীগ থেকে বহিষ্কার হচ্ছেন চিত্ত রঞ্জন দাস

0
29
আ'লীগ থেকে বহিষ্কার হচ্ছেন চিত্ত রঞ্জন দাস

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হওয়া সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লায়ন চিত্ত রঞ্জন দাস আওয়ামী লীগ থেকে সাময়িক বহিষ্কার হতে যাচ্ছেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রিয়াজ বলেন, আমরা তাকে সাময়িক বহিষ্কার করছি। আজকের (বুধবার) মধ্যেই এটা করা হবে। তাকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না- জানতে চেয়ে আমরা ১৫ দিন সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে জবাব দিতে না পারলে স্থায়ী বহিষ্কার করার ব্যাপারে ভাববে দল।

সম্প্রতি আওয়ামী লীগ নেতা চিত্ত রঞ্জন দাস-এর আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, চিত্ত রঞ্জন দাস একটি কক্ষে এক তরুণীর সংগে আপত্তিকর আচরণ করছেন। গোপনে ধারণ করা ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার পর মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়।

এদিকে আপত্তিকর ভিডিওকে এডিট করা দাবি করে এই ঘটনায় একই থানার আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং সাবেক কাউন্সিলর আশ্রাফুজ্জামান ফরিদকে দায়ী করেছেন চিত্ত রঞ্জন দাস।

মঙ্গলবার ফেসবুকে চিত্ত রঞ্জন দাস লিখেছেন, বর্তমানে যে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে তারা আমাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চাইছে তার ছক তারা বহুদিন আগে থেকে এঁকেছেন। এর পেছনে সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আশ্রাফুজ্জামান ফরিদ রয়েছে।

ভিডিওটিকে পূজা সামনে রেখে ‘ঢাকার অসুখ- ডাক্তার চাই’ শিরোনামের একটি নাটকের রিহার্সাল বলে দাবি করেন চিত্ত রঞ্জন দাস।

সাবেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে বর্তমান কাউন্সিলর চিত্ত রঞ্জন বলেন, আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ফরিদ, তার ভাই মুরাদ ও ভাগ্নে শাওন-এর মাদক ব্যবসাসহ সকল অপকর্ম বন্ধে জোরালো ভূমিকা রাখি। তার জেরেই তারা অভিযোগকারী এই পান্নাকে আমার পেছনে লেলিয়ে দেয় বলে আমি নিশ্চিত। এটি এই দুই গ্রুপের পূর্ব পরিকল্পনার অংশ।

এই প্রসংগে চিত্ত রঞ্জন দাস বলেন, ধস্তাধস্তির ওই দৃশ্যটি এডিট করা। ওই নারীসহ এর পেছনে যারা আছে সবার বিরুদ্ধে আমি আইনগত ব্যবস্থা নেবো।

চিত্ত রঞ্জন দাসের তোলা অভিযোগের বিষয়ে সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আশ্রাফুজ্জামান ফরিদ বলেন, এইটা তো মেয়েলি ব্যাপার। এর সংগে আমি কীভাবে থাকি! ওই মেয়ে তার সংগে থাকে, আমি চিনি না তাকে। এইটার সংগে রাজনীতি নিয়ে এসে সে বাঁচতে চাচ্ছে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির বলেন, সে (চিত্ত রঞ্জন দাস) ষড়যন্ত্রের কথা বলছে। কিন্তু আমরা যা দেখেছি ফেসবুকে, তাতে মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY