ঈদের দিন মোবাইল চুরি নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২১

0
62
ঈদের দিন মোবাইল চুরি নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে মোবাইল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন আহত হয়েছেন। তাদেরকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও নরসিংদী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে উপজেলার দরিয়াদৌলত ইউনিয়নের মরিচাকান্দি ডিটি একাডেমি সংলগ্ন জামে মসজিদের সামনে জুমার নামাজের পরপরই মরিচাকান্দির বইছা বাড়ির ইদ্রিস গ্রুপ ও হানিফ মেম্বার গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

হানিফ মেম্বারের চাচা ইমাম আলীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০-২৫ দিন আগে একটি মোবাইল মরিচাকান্দি বাজারের রাজিব সজিব টেলিকম থেকে চুরি হয়। মোবাইলটি চুরি করে একই বাড়ির জলিল মিয়ার ছেলে ইসমাইল মিয়া। ঘটনার এক সপ্তাহ পর গ্রাম্য সালিশ হয়। কিন্তু ইদ্রিস গ্রুপের ইসমাইল মিয়া বিচার না মেনে সালিশ থেকে উঠে যায়। তারপর থেকে দু’পক্ষের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করে।

এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার দুপুরে জুমা নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হতেই দুই পক্ষের মাঝে সংঘর্ষ বাধে। দুইজন টেঁটাবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের অন্তত ২১ জন আহত হয়। এর মধ্যে উভয়পক্ষের ১০ জন গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

সাবেক মেম্বার হানিফ মিয়ার পক্ষের অন্তত ১২ জন লোক আহত হয়ে। তাদের মধ্য গুরুত্বর আহতদেরকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি। মুমূর্ষু অবস্থায় একজনকে ঢাকা পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩ জনের মাথায় গুরুতর আঘাত রয়েছে। বাকিদের এলোপাথাড়ি ধারালো দাঁয়ের কোপ ও টেটার আঘাতে ক্ষত হয়েছে।

হানিফ মেম্বারের পক্ষে গুরুতর আহত হয়েছেন আনিস মিয়া, অলি মিয়ার, বায়েজিদ বাবু, সানাউল্লাহ, সাবেক মেম্বার হানিফ মিয়া, ইয়াসিন, হেলাল মিয়া, হাবিব উল্লাহ। ইদ্রিস গ্রুপের মধ্যে জাহাঙ্গীর মিয়া, শাহপরান, টিপু, আলী হোসেন, শহর আলী, মহরম আলী, আলী হোসেনসহ আরও কয়েকজনকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

ইদ্রিস মিয়ার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ইদ্রিস মিয়া, হক সাব মিয়া, জাবেদ মিয়া, শাহপরান, জাকির, টিপু, জাহাঙ্গীর, খোকন ও আলামিন টেঁটার আঘাতে গুরুতর আহত।

এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি রাজু আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আপাতত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY