কাদের মির্জার দুই সহযোগীর গুলি ছোঁড়ার ভিডিও নিয়ে তোলপাড়

0
45

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ঘনিষ্ঠ সহযোগী শহীদুল্যাহ রাসেল ওরফে কেচ্ছা রাসেল ও আনোয়ার হোসেন মাসুদ ওরফে পিচ্চি মাসুদের অস্ত্রের ভিডিও নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ মে) রাতে জাগো নিউজের কাছে ১৩ মে (বৃহস্পতিবার) বিকেলে কেচ্ছা রাসেলের নেতৃত্বে বসুরহাটের করালিয়ায় প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে হামলার একটি ভিডিও এসে পৌঁছেছে।

এতে দেখা যায়, কাদের মির্জার ঘনিষ্ঠ সহযোগী কেচ্ছা রাসেল ও পিচ্চি মাসুদ সরাসরি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ছে।

সেদিন এ ঘটনায় দৌড়ে পালাতে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতা নূর মোহাম্মদ রাহীম (৩০), আরিফুর রহমান রাহীম (২৮), পৌরসভা ৯ নম্বর ওয়ার্ডের করিম উদ্দিন শাকিল (২৩), কোরবান আলী রাকীব (২৪) ও রাজীব আহমেদ রিয়াদ (২৪) আহত হন। তারা মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

এদিকে, ১৩ মে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বাদলের অনুসারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার অভিযোগ ওঠে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। এ সময় পালাতে গিয়ে পাঁচজন আহত হন। পরে এ ঘটনায় ১৭ মে আহত নূর মোহাম্মদ রাহীম বাদী হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানায় কাদের মির্জার ৩৮ সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই রাসেল কাদের মির্জার সঙ্গে পৌরসভা ভবনের তিন তলায় অবস্থান করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের বাড়িতে গুলিবর্ষণ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভায় গুলিবর্ষণ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরনবী চৌধুরীকে গুলি করে পঙ্গু করাসহ সাম্প্রতিক সময়ের অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি তার (রাসেলের) বিরুদ্ধে মামলার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘পুলিশ অস্ত্রধারী এ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার বিভিন্নস্থানে অভিযান চলছে।’

বসুরহাটের মেয়র আবদুল কাদের মির্জা দীর্ঘদিন থেকে ফেসবুক লাইভে ঘোষণা দিয়ে আসছেন, ‘আমার কোন কর্মীর হাতে অস্ত্র দেখা গেলে সেদিন আমি (কাদের মির্জা) হিজরত করবো।’

এমন বক্তব্যের পর তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী রাসেল ও মাসুদের হাতে অস্ত্রের ভিডিওর ব্যাপারে মতামত জানতে কাদের মির্জাকে বার বার ফোন দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

 

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY