গম্ভীর বিয়ের আগে স্ত্রীকে একটা শর্ত দিয়েছিলেন

0
279

পারিবারিক সূত্রেই প্রথম পরিচয় গৌতম গম্ভীর এবং নাতাশা জৈনের। বিয়ের ক্ষেত্রে দুই পরিবারের সম্মতির পরেই দু’জনের মেলামেশা শুরু। অভিভাবকদের ঠিক করে দেওয়া ‘সম্বন্ধ’ হলেও বিয়ের আগে থেকেই একে অন্যের প্রেমে পাগল ছিলেন গম্ভীর এবং নাতাশা। এক সাক্ষাৎকারে নাতাশা পরে জানান, তাদের দুই পরিবারের মধ্যে পরিচয় ৩ দশকের পুরনো। গম্ভীরের সঙ্গে আলাপের ২-৩ বছর পর থেকে তারা বিয়ের কথা ভাবেন। ২০১০ সালে বাগদানের ১ বছর পর তাদের বিয়ে হয়।

গম্ভীরের মতো জনপ্রিয় ক্রিকেটারের পরিচয় নিয়ে কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন নাতাশা। কারণ তার ক্রিকেটে কোনো আগ্রহ ছিল না। বরং তিনি মশগুল ছিলেন ফ্যাশন এবং মেকআপ নিয়ে। কিন্তু গৌতমের ব্যক্তিত্ব তাকে মুগ্ধ করেছিল। তাই দ্বিধা কাটিয়ে আকৃষ্ট হন তার দিকে। তবে এই মুগ্ধতা যে প্রথম আলাপে এসেছে, তা একেবারেই নয়। তারকাসুলভ পরিচয়ের থেকেও গৌতমের সারল্য বেশি ভালো লেগেছিল নাতাশার। তারকা হয়েও সাধারণ জীবনযাপনের চেষ্টা দুজনকে কাছাকাছি এনেছিল।

গম্ভীরেরও মনে হয়েছিল, নাতাশা তার যোগ্য জীবনসঙ্গী হতে পারবেন। তার সবথেকে ভালো লেগেছিল ক্রিকেট নিয়ে নতাশার অনাগ্রহ। কোনোদিন তিনি ক্রিকেট নিয়ে কিছু আলোচনা করেননি গৌতমের সঙ্গে। এই দিকটাই গম্ভীর এবং নতাশার সফল সম্পর্কের মূল রসায়ন। তবে বিয়ের ক্ষেত্রে একটা শর্ত দিয়েছিলেন গম্ভীর। এবং সেটা ছিল ক্রিকেট নিয়েই। তিনি জানিয়েছিলেন, বিয়ে করলে ২০১১ বিশ্বকাপের পরেই করবেন। তার আগে নয়। কারণ সেটা ছিল গম্ভীরের জীবনে ৫০ ওভারের ম্যাচের প্রথম ক্রিকেট বিশ্বকাপ।

পাঞ্জাবি বিয়ের সনাতনী বিয়ের রীতি মেনে গম্ভীর-নাতাশার বিয়ে হয়। গম্ভীরের অনুরোধে আমন্ত্রিতের সংখ্যা রাখা হয়েছিল মাত্র ১০০। পরিজন এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাই শুধু ছিলেন। ২০১৪ সালের মে মাসে গম্ভীর এবং নাতাশার বড় মেয়ে আজীনের জন্ম। ৩ বছর পরে জন্ম হয় তাদের দ্বিতীয় সন্তান আনাইজার। স্ত্রী এবং দুই মেয়ের ঘেরাটোপে গম্ভীর এখন সুখে আছেন। সেখানে কোনো তার কা পরিচয় চলবে না। কারণ ক্যারিয়ারের নানা ভাঙাগড়ায় গম্ভীরের কাছে পারিবারিক সমর্থনটাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY