নকল মাস্ক সরবরাহ: শারমিনের মামলার প্রতিবেদন ২৬ এপ্রিল

0
61
নকল মাস্ক সরবরাহ: শারমিনের মামলার প্রতিবেদন ২৬ এপ্রিল

নকল ‘এন-৯৫’ মাস্ক সরবরাহের অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাবেক নেত্রী ও অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী শারমিন জাহানের মামলার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে এসব মাস্ক সরবরাহ করেছিলেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার (৯ মার্চ) এ মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল।

তবে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় আসছে ২৬ এপ্রিল প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবুবকর ছিদ্দিক।

গেলো বছরের ২৪ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ থেকে শারমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর আদালত থেকে জামিন পেয়ে মুক্তি লাভ করেন তিনি।

শারমিন জাহানের বিরুদ্ধে ২৩ জুলাই রাতে বিএসএমএমইউয়ের প্রক্টর বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় প্রতারণার মামলা করেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, এ মাস্কের কারণে করোনা সম্মুখযোদ্ধাদের জীবন মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে।

এ মামলায় বিএসএমএইউয়ের প্রক্টর মো. মোজাফফর আহমেদ বলেছেন, গেলো ২৭ জুন শারমিন জাহানকে ১১ হাজার মাস্ক সরবরাহের কার্যাদেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয়। কার্যাদেশের বিপরীতে ৩০ জুন প্রথম দফায় ১ হাজার ৩০০টি, ২ জুলাই দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় ৪৬০টি ও ১ হাজারটি এবং ১৩ জুলাই চতুর্থ দফায় ৭০০টি মাস্ক সরবরাহ করে। প্রথম ও দ্বিতীয় লটের মাস্কে কোনো সমস্যা ছিল না।

তবে তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় লট বিতরণ ও ব্যবহারে ত্রুটি পাওয়া যায় এবং মাস্কের গুণগত মান স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী পাওয়া যায়নি। কোনো মাস্কের বন্ধনী ফিতা ছিঁড়ে গেছে, কোনো মাস্কের ছাপানো লেখায় ত্রুটিপূর্ণ ইংরেজি লেখা পাওয়া গেছে, কোনো কোনো মাস্কের নিরাপত্তা কোড ও লট নম্বর প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে গিয়ে নকল বলে জানা গেছে। এ কারণে কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারে যে মাস্কের গুণগত মান নিম্নমানের ছিল।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY