নীলফামারীতে জ্বর-কাশির প্রাদুর্ভাব বেড়েছে

0
54
নীলফামারীতে জ্বর-কাশির প্রাদুর্ভাব বেড়েছে

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় জ্বর, সর্দি ও কাশির প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বাড়ছে করোনা সংক্রমণের সংখ্যাও। প্রচণ্ড রোদ আবার কখনও বৃষ্টিতে শীতল হাওয়া নিয়ে চলছে এখানকার আবহাওয়া।

জানা যায়, প্রতিটি বাড়িতে দু’একজন করে সদস্য জ্বর, সর্দি ও কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেকেই করোনা আক্রান্তের ভয়ে পল্লী চিকিৎসকদের পরামর্শে গোপনে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

হাসপাতালসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে, কমিউনিটি ক্লিনিকে রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়েছে। যাদের অধিকাংশ জ্বর, সর্দি, কাশি ও নিউমেনিয়া। আক্রান্তদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যা বেশি।

জ্বর, সর্দি ও কাশিতে আক্রান্ত রোগীরা জানান, আগের তুলনায় এ জ্বরের প্রকোপ অনেক বেশি। জ্বরের সঙ্গে সব শরীরের মাংসপেশী ও হাড়ের জয়েন্টে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব হয়। কাশিতে বুকে ব্যথা হচ্ছে। অনেকের শ্বাসকষ্টও দেখা দিচ্ছে। এটি প্রাথমিকভাবে করোনার লক্ষণ ভেবে অনেকেই আইসোলশনের ভয়ে গোপনে পল্লী চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

সৈয়দপুরের কামারপুকুরের সাজেদা বেগম বলেন, জ্বরে শরীরে এমন ব্যথা আমার জীবনে কখনই দেখি নাই। পুরো শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা, কাশির কারণে বুকেও ব্যথা অনুভব হচ্ছে। দীর্ঘ ১০ দিন জ্বরে ভুগে সদ্য সুস্থতা পেলেও কাশি এখনও বন্ধ হয়নি।

তিনি আরও বলেন, বাড়ির অন্য সদস্যরা জ্বরে আক্রান্ত না হলেও পাশের বাড়ির লোকজনেরও জ্বর-সর্দি রয়েছে। জ্বর, সর্দি ও কাশির প্রাদুর্ভাব বাড়লেও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়েনি। শহরের কিছু মানুষ মাস্ক ব্যবহার করলেও গ্রামীণ হাটবাজার পথঘাটে মাস্কহীন মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি।

সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু মো. আলেমুল বাসার জানান, আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে এসব রোগবালাই দেখা যাচ্ছে। করোনাকালে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সরকারি স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই মানতে হবে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY