পরীমণিকাণ্ডে সেই নাসিরকে খুঁজছে পুলিশ

0
57
পরীমণিকাণ্ডে জেল থেকে বেরিয়ে মুখ খুললেন নাসির!

নায়িকা পরীমণিকে ‘ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার’ ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদের হদিস মিলছে না। পুলিশ বলছে, পরীমণির অভিযোগ পাওয়ার পর নাসির ইউ মাহমুদের সন্ধানে কাজ করা হচ্ছে। তবে এখনও তার সন্ধান মেলেনি।

এর আগে সোমবার (১৪ জুন) দুপুরের দিকে আবাসন ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদকে প্রধান আসামি করে ঢাকার সাভার মডেল থানায় ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন নায়িকা পরীমণি।

মামলায় ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদসহ ২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আরও ৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী মাইনুল ইসলাম।

এদিকে আলোচিত ব্যবসায়ী নাসিরের সন্ধানে নামে । তিনি যে ‘ঢাকা বোট ক্লাবের’ কার্যনির্বাহী সদস্য, সেখানে গেলে তার বিষয়ে কেউ কিছু বলতে পারেননি। বোর্ট ক্লাবের দু’টি মুঠোফোনে যোগোযোগের চেষ্টা করা হলেও সেগুলো বন্ধ পাওয়া যায়। পরে তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ০১৭৫৫…….৮৮ নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে রিং বাজলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরিস্থিতিতে তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগের বিষয়ে কোন বক্তব্য নেয়াও সম্ভব হয়নি।

এর আগে সোমবার (১৪ জুন) দুপুরে সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহিল কাফী বলেন, পরীমণির দেয়া লিখিত অভিযোগ সাভার থানায় আমলে নেওয়া হয়েছে। নাসির ইউ মাহমুদের সন্ধান চালানো হচ্ছে। আমরা যেহেতু ঘটনাস্থল ঢাকা বোর্ট ক্লাব সাভার থানাধীন বিরুলিয়ায় অবস্থিত।

তিনি বলেন, পরীমণির করা অভিযোগ আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। শিগগিরেই তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হবে। এই মূহুর্তে এর বেশি কিছু বলা যাচ্ছে না।

এর আগে, রোববার (১৩ জুন) রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর বনানীর নিজ বাসায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার বিস্তারিত জানান ঢালিউড নায়িকা পরীমণি। তুলে ধরেন তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিবরণ।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি জানান, গত বুধবার (৯ জুন) রাতে পারিবারিক বন্ধু অমি ও পরীর পোশাক ডিজাইনার জিমির সঙ্গে বাইরে বের হয়েছিলেন। রাত ১২টার দিকে অমি তাদের নিয়ে ঢাকা বোট ক্লাবে যান। সেখানে মদ্যপানরত কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে পরীর পরিচয় করিয়ে দেন অমি। পরে অমি সেখানে থাকা নাছির ইউ মাহমুদ নামে এক ব্যক্তির কাছে নিয়ে যায়। সে সময় নাছির ইউ মাহমুদ নিজেকে ঢাকা বোট ক্লাবের সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেন। সেখানে নাছির ইউ মাহমুদ আমাকে মদ খেতে অফার করেন। আমি রাজি না হলে আমাকে জোর করে মদ খাওয়ানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে আমাকে চড় থাপ্পড় মারেন। তারপর নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টা করেন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY