পশ্চিমবঙ্গে জরুরি সতর্কতা জারি

0
61
ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে উত্তাল সাগর, বইছে ঝড়ো হাওয়া

ওড়িশায় আঘাত হানতে শুরু করেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। ওড়িশার ধামড়া থেকে এই মুহূর্তে ৪০ কিলোমিটার ও বালাসোর থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে অতি শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়। বুধবার বেলা বাড়ার সাথে সাথে আছড়ে পড়বে ওড়িশার ধামড়া ও বালাসোরের মাঝামাঝি স্থলভূমিতে।

মঙ্গলবার রাতের পূর্বাভাস অনুযায়ী ওড়িশার চাঁদিপুর থেকে ধামড়ার মধ্যে শক্তিশালী ইয়াস ঘূর্ণিঝড়  আঘাত হানবে। মিয়ানমার ও সংলগ্ন চীনের উপর অবস্থানকারী উচ্চচাপ বলয় ক্রমশ পশ্চিম প্রান্তে সরে যাওয়ার ফলেই  ইয়াসের যাত্রাপথ পরিবর্তন হয়েছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

এদিকে ওড়িশার দিকে ইয়াস ঘুরে যাওয়ায় মনে করা হচ্ছে কিছুটা হলেও রেহাই পাবে পশ্চিমবঙ্গ। তবে, পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে ইয়াসের ক্ষতিকর প্রভাব  পড়বে বলে বলছে আবহাওয়া বিভাগ। ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলা করতে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। সারারাত সেখানেই রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই ঘূর্ণিঝড়ের গতিবিধির উপর নজর রাখছেন তিনি। এই  প্রাকৃতিক বিপর্যের মধ্যে জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া কাউকে ঘর বা বাড়ি থেকে না বের হওয়ার  জন্য আবেদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রয়োজনে সেনা মোতায়েন কথা বলেছেন তিনি।

আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, গত ৬ ঘণ্টা ধরে ঘণ্টায় ১৭ কিলোমিটার গতিবেগে এগোচ্ছে ইয়াস। বুধবার দুপুরের মধ্যে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় রুপে ইয়াস ওড়িশার পারাদ্বীপ ও পশ্চিমবঙ্গের সাগর দ্বীপের মধ্যে ওড়িশার বালেশ্বরের দক্ষিণ ও ধামরার উত্তর দিক দিয়ে অতিক্রম করে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তারপর ঘূর্ণিঝড় চলে যাবে ঝাড়খণ্ডের দিকে।

বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে ওড়িশার বালেশ্বর, ভদ্রক, কেন্দ্রাপাড়া, জগৎসিংহপুরের মতো উপকূলবর্তী বিভিন্ন জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে। অতি ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে পশ্চিবঙ্গের  কয়েকটি জেলাতেও।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY