ব্যাংক কোম্পানি আইন বাস্তবায়ন হলে কমবে ঋণখেলাপি

0
34
ব্যাংক কোম্পানি আইন বাস্তবায়ন হলে কমবে ঋণখেলাপি

সংশোধিত ব্যাংক কোম্পানি আইন বাস্তবায়ন হলে কমবে ঋণখেলাপি। পার পাবে না ইচ্ছাকৃত খেলাপি হওয়া ঋণগ্রহীতা। বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন আইন বাস্তবায়ন করা গেলে সুশাসন ফিরবে ব্যাংক খাতে।

গত এক দশকে নানা অনিয়ম দুর্নীতি, ঋণখেলাপির ঘটনা ব্যাংকিং খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বারবার প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। অনেক সময় পুরনো আইনে অনিয়মের বিস্তৃত জালের ফাঁক গলে দোষীরা বেড় হয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন করতে যাচ্ছে সরকার। এরই মধ্যে মন্ত্রিসভা বৈঠকে আইনের নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি প্রমাণ হলে বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকবে, নিষেধাজ্ঞা থাকবে সম্পদ নিবন্ধন ও ট্রেড লাইসেন্সে। পেশাজীবী, সামাজিক, রাজনৈতিক কোন পদেও থাকতে পারবেন না, রাষ্ট্রীয় কোনো সম্মাননা পাবে না। ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি প্রমাণ হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে আপিল করতে পারবেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। ব্যাংক কোম্পানি পুনর্গঠন ও একত্রীকরণের বিধান রাখা হয়েছে।

কোম্পানি আইন বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার এ এম মাসুম বলেন, শুধু আইন করলেই হবে না বাস্তবায়নে প্রয়োজন কঠোর নজরদারি।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ব্যাংকিং খাতে এই আইন বাস্তবায়ন করা গেলে ফিরে আসবে সুশাসন। ব্যাংকের ওপর আস্থা থাকবে জনগণের। আর সুফল মিলবে অর্থনীতিতে।

অর্থনীতিবিদ ডা. শাহ মো. আহসান হাবীব বলেন, এইন আইনটাকে বাস্তবায়ন করা গেলে এবং ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির চাপ প্রয়োগ করতে পারি তাহলে এই আইনের ভালো ফলাফল আমরা পাব।

গত বছরের শেষের দিকে মোট ঋণ ১১ লাখ ৫৮ হাজার ৭৭৫ কোটি টাকার বিপরীতে খেলাপি ঋণই ৮৮ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY