স্বামী-শ্বশুর-ভাসুর-দেবরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ গৃহবধূর

0
61
বাসে তরুণীকে গণধর্ষণ: ৪ আসামি রিমান্ডে

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে স্বামীসহ শ্বশুর, ভাসুর, দেবরের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ এনে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্ত্রী। ওই গৃহবধূ দুই সন্তানের জননী।

রোববার (৩০ মে) দিবাগত রাতে চরজব্বার থানায় লিখিত এই অভিযোগ দায়ের করা হয়। এর আগে, ২৭ মে উপজেলার ৫নং চরজুবিলী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগের পরিবারের সোমবার (৩১ মে) বেলা ১১টায় চরজব্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রবিউল হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে এমন অভিযোগ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তদন্ত করে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগটি মিথ্যা মনে হয়েছে।

গৃহবধূর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে আমির হোসেনের (৩০) সঙ্গে সুমির বিয়ে হয়। বিয়ের পর আমির হোসেনের বড় ভাই মোতালেবের কুদৃষ্টি পড়ে সুমি আক্তারের ওপর। সব ভাই একই ঘরে থাকার সুবাদে আমির হোসেন অটোরিকশা চালাতে বাড়ি থেকে বাইরে গেলে মোতালেব প্রায়ই তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এনিয়ে প্রতিবাদ করলে শ্বশুর, শাশুড়ি, দেবর ও বর সুমিকে বেধড়ক মারধর করেন। এর কয়েক মাস পর দেবর রিয়াজ ও সজিব সুমি আক্তারকে বিভিন্ন সময় অসামাজিক কাজের প্রস্তাব দেন। বিষয়টি স্বামী আমির হোসেনকে জানালে তিনি আবারও অমানসিক নির্যাতন করেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ মে) রাতে স্বামী আমির হোসেন বাইরে থাকায় গৃহবধূ সুমি আক্তার তার ঘরে একা ঘুমাচ্ছিলেন। ওই সুযোগে দেবর সুমি আক্তারের ঘরে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। তার চিৎকারে শ্বশুর-শাশুড়ি এগিয়ে এলে গৃহবধূ সব খুলে বলেন। তবে ঘটনাটি কাউকে না বলতে শ্বশুর-শাশুড়ি সুমিকে চাপ দেন।

ভুক্তভোগীর স্বামী আমির হোসেন বলেন, ‘আমি দুই বছর ধরে অসুস্থ, কাজ-কর্ম করতে পারি না। সে আমার ভাইদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছে সেটা মিথ্যা।’

চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক মীর জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY