মিল্কভিটা দুধের অভাবে বন্ধের পথে

0
177

শাহজাদপুরের বাঘাবাড়ি মিল্কভিটা দুগ্ধকারখানাটিতে দুধ সরবরাহ গত আগস্ট মাস থেকে আশঙ্কাজনক ভাবে কমে গেছে। এতে করে প্রায় তিন মাস ধরে বাঘাবাড়ি মিল্কভিটা পাউডার প্লান্টটিতে বন্ধ রয়েছে। তবে কারখানা কতৃপক্ষ বলছে, পর্যাপ্ত দুধ না পাওয়ায় সপ্তাহে দুইদিন পাউডার প্লাট চালু রাখা হয়েছে।

সূত্র জানায়, গত বছর এ সময় মিল্কভিটা ৬৫ থেকে ৬৬ হাজার লিটার তরল দুধ খামারিদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হতো। তা এখন কমে প্রতিদিন ২৮ থেকে ৩০ হাজার লিটারে নেমে এসেছে।

তবে স্থানীয় একাধিক সমিতির ম্যানেজার জানান, খোলা বাজারের চেয়ে মিল্কভিটা বর্তমানে প্রতি লিটারে ১৪ টাকা থেকে ১৬ টাকা কম দিচ্ছে। এ কারণে খামারিরা মিল্ক ভিটায় দুধের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। ফলে মিল্ক ভিটায় এমন নাজুক অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

বাঘাবাড়ি মিল্কভিটার কারখানার উপব্যবস্থাপক ডা. এ এফ এম ইদ্রিস জানান, আগামী মাস থেকে কারখানায় দুধের সরবরাহ আগের মত স্বাভাবিক হবে। তিনি জানান, এক সময় দুধের সরবরাহ এত বেশি ছিল মিল্ক কর্তৃপক্ষ কোঠা পদ্ধতি খামারিদের কাছ থেকে দুধ নিয়েছে।

অপর দিকে বাঘাবাড়ি মিল্কভিটা অন্য একটি সূত্র বলছেন, এখন বেশির ভাগ গাভী গর্ভবতী থাকায় আগস্ট থেকে নবেম্বর মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত দুধ এমনিতেই কম হয়। আগমি দেড় মাসের মধ্যেই মিল্কভিটার উৎপাদন স্বাভাবিক হবে। তবে খামারিরা বলছেন, দুধে ক্রয়মূল্য না বাড়লে এ পরিস্থিতির সহসা উন্নতি সম্ভব না।

মিল্ক ভিটার পরিচালক আব্দুস সামাদ ফকির জানান, খামারিরা প্রতি লিটার দুধের দাম ৩৭ টাকা ৫০ পয়সা পাচ্ছে। উৎপাদন খরচ তোলার জন্য সমিতিভুক্ত অনেক খামারি দুধ খোলা বাজারে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। তিনি জানান, খামারিদের বাঁচাতে হলে দুধের দাম মিল্ক ভিটাকে বাড়াতে হবে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY