পুলিশের ট্রাঙ্কে ফেনসিডিল- ডোপ টেস্ট হবে প্রত্যেক সদস্যের

0
270
পুলিশের ট্রাঙ্কে ফেনসিডিল- ডোপ টেস্ট হবে প্রত্যেক সদস্যের
পুলিশের ট্রাঙ্কে ফেনসিডিল- ডোপ টেস্ট হবে প্রত্যেক সদস্যের

ঈশ্বরদী রেলওয়ে জিআরপি থানা পুলিশের কন্সটেবল (কম্পিউটার অপারেটর) নাইম হোসেনের ব্যক্তিগত ট্রাঙ্ক থেকে ২৫ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে কন্সটেবল নাইমের বিরুদ্ধে মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে পাঠানো হয়েছে পাবনা জেল হাজতে। একই সঙ্গে রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের অধীনস্থ সকল পুলিশ সদস্যকে ডোপ টেস্টের অধীনে আনা হচ্ছে। আজ দুপুরে রেলওয়ে পাকশী বিভাগের পুলিশ সুপার মো. শাহাব উদ্দীন এসব তথ্য কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন।

রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় পুলিশ সুপার কার্যালয় ও ঈশ্বরদী জিআরপি থানা সূত্র মতে, গত বুধবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানা (জিআরপি) পুলিশ ২৬৪ বোতল ঘোষিত ভারতীয় ফেনসিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে থানা আনা হয়। এরপর সুকৌশলে পুলিশ কন্সটেবল নাইম ২৬৪ বোতল ফেনসিডিলের মধ্যে থেকে ২৫ বোতল নিজের ব্যক্তিগত ট্রাঙ্কে রাখে। একই সঙ্গে আটক দুই মাদক ব্যবসায়ীকে ২৩৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ আদালতে চালান দেওয়া হয়।

সূত্র আরো জানায়, ট্রাঙ্কের মধ্যে গোপনে ফেনসিডিল রাখার বিষয়টি থানার অপর এক কন্সটেবল দেখে পুলিশ সুপারকে অবগত করেন। তখন পুলিশ সুপারের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাইম উল ইসলামকে ঘটনাস্থলে গিয়ে কন্সটেবল নাইমের ব্যক্তিগত ট্রাঙ্ক থেকে ২৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেন। একই সঙ্গে নাইমকে আটক করে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে থানায় মাদক মামলা দায়ের করে শুক্রবার পাবনা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

রেলওয়ে বিভাগীয় পাকশী পুলিশ সুপার মো. শাহাব উদ্দীন বলেন, মাদকের ব্যাপারে জিআরপি পুলিশের ডিআইজি স্যারসহ আমরা সবাই জিরো টলারেন্সে আছি। মাদকের সঙ্গে কোনো আপোষ নেই। কন্সটেবল নাইম ফেনসিডিলের সঙ্গে জড়িয়ে ঘৃণিত অপরাধ করেছে। এসপি আরো বলেন, এই ঘটনায় বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তাই পুরো পুলিশকে মাদক মুক্ত রাখতে খুব শীঘ্রই তাদের ডোপ টেস্টের আওতায় আনা হবে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY