কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় জরুরি অবস্থা

0
44
কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় জরুরি অবস্থা

ঝড় ও রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কানাডার কয়েকটি প্রদেশ। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন হাজারো মানুষ। এখন পর্যন্ত একজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চত করেছে কর্তৃপক্ষ। পশ্চিমাঞ্চলীয় ব্রিটিশ কলম্বিয়া অঙ্গরাজ্যে জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা। এদিকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদেরে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।

টানা দুদিনের বৃষ্টিতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় এখনও তলিয়ে আছে কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া অঙ্গরাজ্যের পশ্চিমাঞ্চল। এরই মধ্যে ভূমিধসের কারণে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। ভূমিধসের সময় ভেসে যায় বেশ কয়েকটি গাড়ি। এতে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে।

বৃহত্তম শহর ভ্যানকুভারের সাথে আশপাশের সড়ক ও রেল যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এছাড়া পশ্চিমাঞ্চলীয় উপকূলে সংযোগকারী দুটি মহাসড়ক বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে পুরো কানাডার সাথে ভ্যানকুভারের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। পানিতে ভেসে গেছে অনেক গবাদি পশু। আটকেপড়া গবাদি পশুদের উদ্ধারে কাজ চলছে। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু ফসলি জমি।

মঙ্গলবার কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার আশ্বাস দেন। এছাড়া এক সংবাদ সম্মেলনে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী এটিকে শতাব্দীর সবচেয়ে মারাত্মক ঝড় হিসেবে আখ্যা দেন।

ট্রুডো বলেন, ব্রিটিশ কলম্বিয়ার পরস্থিতি নিয়ে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। মুষলধারে বৃষ্টিতে দশ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরই মধ্যে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার প্রশাসনের সাথে কথা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের যেকোনো ধরনের সহায়তা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সোমবার ভেনকুভারের উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে আট হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং ব্রিটিশ কলম্বিয়ার হাইওয়েতে যানবাহনে আটকেপড়া অন্তত ৩০০ মানুষকে হেলিকপ্টার দিয়ে উদ্ধার করা হয়।

এদিকে টানা বৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের বেলিংহাম শহরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। এছাড়া শহরের বাসিন্দাদের ঘর থেকে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY