টোঙ্গায় সুনামি: স্বাস্থ্য ও পরিবেশ ঝুঁকি চরমে

0
74
টোঙ্গায় সুনামি: স্বাস্থ্য ও পরিবেশ ঝুঁকি চরমে

সুনামি ছড়িয়ে পড়ায় দক্ষিণ আমেরিকার পেরুর সমুদ্রতীরবর্তী সৈকতের মাটি ও পানি কালো আকার ধারণ করেছে। সৈকতের প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকা ছেয়ে গেছে কালো পানিতে। সেইসঙ্গে তলিয়ে গেছে, সমুদ্র তীরের বিভিন্ন এলাকা। ইতোমধ্যে অস্ট্রেলিয়া, চিলি, চীনসহ অনেক দেশ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।

রেডক্রসের এশিয়া মহাসাগরীয় অঞ্চলের পরিচালক জানান, টোঙ্গায় দুর্যোগের মাত্রা এখনও অনিশ্চিত। তবে এ অঞ্চলের মানুষ চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে। কালো ধোঁয়া, ছাই আর গ্যাসের কারণে পরিবেশ ভয়াবহ হুমকির মুখে পড়েছে।

গত শনিবার সুনামির আঘাতের পর বিপর্যয়ের মুখে পড়ে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দীপপুঞ্জ টোঙ্গা।

পেরুর পাশাপাশি চিলি ও দ্বীপপুঞ্জ ফিজিরও একই অবস্থা। আবার নতুন করে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে চিলিসহ যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই ও আলাস্কা অঙ্গরাজ্যে।

এদিকে সিডনির বন্দর থেকে অষ্ট্রেলিয়ার নৌ বাহিনীর একটি বিশেষ জাহাজ মানবিক সহায়তার জন্য টোঙ্গার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে। জরুরি সহায়তার জন্য একটি বিশেষ বিমান প্রস্তুত করে রেখেছে অস্ট্রেলিয়া। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণসহ সামগ্রিক নজরদারির জন্য প্রয়োজনে সামরিক বাহিনী পাঠানোরও আশ্বাস দিয়েছে ক্যানবেরা ও নিউজিল্যান্ড। ইতোমধ্যে সামরিক বিমানে করে ত্রাণ সহায়তা পাঠিয়েছে নিউজিল্যান্ড।

টোঙ্গার এই বিপর্যয়ে সবচেয়ে বড় মানবিক সহায়তার কথা জানিয়েছে চীন। নগদ ১ লাখ মার্কিন ডলার পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন।

যুক্তরাষ্ট্র অধ্যুষিত সামাও দ্বীপপুঞ্জে সুনামি সতর্কতা পর্যবেক্ষণ করছে দেশটির সরকার। শনিবার এ অঞ্চলে সুনামি সতর্কতা জারি করলেও পরে তা তুলে নেয়া হয়। এদিকে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্রুজ সৈকতে এখনো দমকা হাওয়া বইছে।

এদিকে সুনামির পর যুক্তরাজ্যের সৈকতে এক নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অ্যাঞ্জেলা গ্লোভার নামের ওই নারী একটি দাতব্য সংস্থা চালাতেন। ৫০ বছর বয়সী ওই নারী সুনামি আঘাতের সময় তার স্বামীসহ সৈকতে তার কুকুর খুঁজতে গিয়েছিলেন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY