শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে আ.লীগের একাত্মতা

0
155
শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে আ.লীগের একাত্মতা

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) টানা ষষ্ঠ দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। তারা শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক উল্লেখ করে তা পূরণে কিছুটা সময় চান। একইসঙ্গে তারা আলোচনার মাধ্যমে যাতে সমাধানে পৌঁছা যায়, সেই পথ খোলা রাখারও আহ্বান জানান।

আজ মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বরে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ স্থলে হাজির হন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম নাদেল, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক বিধান কুমার সাহাসহ অনেকে।

শফিউল আলম নাদেল বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকা থেকে এসেছি। আমাদের দল ও সরকার আপনাদের পাশে আছে। প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে এই সংকট থেকে বেরনোর পথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করব। আমি আপনাদের দাবির প্রতি একমত। আপনাদের প্রাথমিক দাবিগুলো যাতে দ্রুত বাস্তবায়ন হয় সে চেষ্টা করব। তবে আমাদের একটু সময় দিতে হবে।

তিনি বলেন, এটুকু বলতে চাই, আমরা আপনাদের পাশে আছি, পাশে থাকব। আপনাদের আন্দোলনে যাতে কোনো সুযোগ সন্ধানী গোষ্ঠী ঢুকে না পড়ে সে ব্যাপারে আপনাদের সজাগ থাকতে হবে।

মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা জাকির হোসেন বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে ক্যাম্পাস থেকে এরই মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশসহ সাঁজোয়া যান সরিয়ে নেয়া হয়েছে। আপনারা যাতে সন্তোষজনক সমাধান পান আমরা সে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ বা অবরুদ্ধ রাখার জন্য নয়। এখানে শিক্ষার পরিবেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।’

তবে সেসময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ভিসি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান।

দুপুর পৌনে ২টার দিকে আওয়ামী লীগ নেতারা সভাস্থল ছেড়ে চলে যাওয়ার পর পরই শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপাচার্যের বাসভনের সামনে অবস্থান নেন। তারা ভিসির পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিচ্ছেন।

উল্লেখ্য, বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হল প্রভোস্ট বডির পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে রোববার (১৬ জানুয়ারি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে অবরুদ্ধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা। পরে সন্ধ্যায় তাকে উদ্ধার করতে হলে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর হামলার ঘটনায় উপাচার্যকে দায়ী করে এদিন সন্ধ্যা থেকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY