পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বইমেলার সময় বাড়বে

0
143
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বইমেলার সময় বাড়বে

কোভিডের কারণে এবার বইমেলার সময়সীমা অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। এখন যেভাবে কোভিডের সংক্রমণ কমছে, সেভাবে যদি চলতে থাকে, তাহলে অমর একুশে গ্রন্থমেলার সময়সীমা কিছুটা বাড়ানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

এবার বইমেলার প্রতিপাদ্য ‘কোভিডমুক্ত বাংলাদেশ চাই’। সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে বইমেলার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ মেলা হচ্ছে প্রকাশকদের মেলা। তারা এ মেলার জন্য অনেক দিন ধরে অপেক্ষা করে থাকেন, আমরা কোনোভাবেই চাইব না, মেলার প্রাণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হোক। গত বছর আমরা তাদের থেকে অর্ধেক ভাড়া নিয়েছি। আর এবার মেলার সময়সীমা যদি বাড়ানো হয়, তাহলে আমরা মনে করি, সেটি তাদের জন্য প্রণোদনা হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবার ৫৩৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৭৬টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য আছে ৩৫টি প্যাভিলিয়ন। মেলার মূল আয়তন সাত লাখ বর্গফুট।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব আবুল মনসুর আহমেদ বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক ইচ্ছায় এবার আমরা মেলা আয়োজন করতে পারছি। মেলায় সরকারের স্বাস্থ্য প্রটোকল আমরা মেনে চলব। মেলায় সার্বক্ষণিক আমাদের একটি মোবাইল কোর্ট থাকবে। মেলার ভেতরে কেউ যেন মাস্ক ছাড়া থাকতে না পারে। আমরা প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতিকে বলেছি, প্রতিটি দোকানে ‌‘নো মাস্ক নো সেল’ ব্যানার রাখতে হবে।”

সচিব বলেন, ‘রেস্টুরেন্টে কোভিড সংক্রমণ বাড়ে। তাই মেলার খাবারের দোকানে ঢুকতে হলে সবার অবশ্যই টিকা সনদ থাকতে হবে। গতকালই আমরা তাদের জানিয়ে দিয়েছি। খাবার আয়োজকদের আমরা জানিয়েছি, তাদের আঙিনায় যেন কেউ টিকা সনদ ছাড়া ঘুরতে না পারে।’

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি কোভিডের সংক্রমণ বাড়ায় সময়সীমা কমানোর কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। বলেন, ‘আমরা এবার দুই সপ্তাহের জন্য মেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করলে মেলার সময় বাড়াব।’

ওইদিন তিনি বলেন, প্রতিবছর ৩টা থেকে বইমেলা শুরু হতো। কিন্তু এ বছর যেহেতু আমাদের সময় কম, ১৫ দিনের মেলা, সে জন্য আমরা দুপুর ২টা থেকে মেলা শুরু করব। ছুটির দিনে বরাবরের মতো বেলা ১১টা থেকে মেলা শুরু হবে।

এবার সাড়ে সাত লাখ স্কয়ার ফুট জায়গাজুড়ে মেলা অনুষ্ঠিত হবে। শিশুদের জন্য আলাদা মঞ্চের ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিশুরা খেলাধুলা করতে পারবে। বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের জন্য মঞ্চ রাখা হয়েছে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY