পোশাকশিল্পে বিদ্যমান কর ৫ বছর বহাল রাখার প্রস্তাব

0
185
পোশাকশিল্পে বিদ্যমান কর ৫ বছর বহাল রাখার প্রস্তাব

আগামী ৫ বছর পর্যন্ত রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পে বিদ্যমান উৎসে ও করপোরেট কর বহাল রাখার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় এ প্রস্তাব উপস্থাপন করেন বিজিএমইএর সভাপতি মো. ফারুক হাসান।

সভায় সভাপতিত্ব করেন এনবিআরের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। বক্তব্য রাখেন-বিজিএমইএর অন্যান্য প্রতিনিধিসহ এনবিআর কাস্টমস সদস্য (শুল্ক নীতি) মাসুদ সাদিক, সদস্য (ভ্যাট নীতি) জাকিয়া সুলতানা এবং সদস্য (আয়কর নীতি) সামস উদ্দিন আহমেদ।

বিজিএমইএর সভাপতি মো. ফারুক হাসান বলেন, করোনা মহামারি চ্যালেঞ্জ ভালোভাবে মোকাবিলা করায় এখন সুফল পাওয়া যাচ্ছে। রপ্তানি বেড়েছে, এখন মাসে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। রপ্তানির এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা আরও বাড়াতে বেশকিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তাই, উদ্যোক্তারা চাপে আছেন। এমন পরিস্থিতিতে উৎসে কর বিদ্যমান ০.৫০ শতাংশ, করপোরেট কর সাধারণ কারখানার জন্য ১২ শতাংশ এবং গ্রিন কারখানার ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ আরও ৫ বছর পর্যন্ত বহাল রাখার অনুরোধ করছি। এছাড়া, এ খাতের উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়াতে নগদ সহায়তার ওপর যে ১০ শতাংশ হারে আয়কর নেওয়া হয়, তা রহিত করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, রপ্তানি করতে গিয়ে পণ্য চিহ্নিতকরণ ও কোডের পণ্য জাহাজীকরণ করতে জটিলতার কারণে ক্রেতার পণ্য পেতে বিলম্ব হচ্ছে। এমন সমস্যায় পড়ে আমাদের পণ্য সরবরাহের সক্ষমতা নিয়ে নেতিবাচক প্রচার বাড়ছে। এসব সমস্যা দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন।

এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেছেন, পোশাক শিল্পের প্রতি সরকারের সুদৃষ্টি আছে। কোভিড-১৯ এর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সরকার যে সুযোগ-সুবিধা পোশাক শিল্পের জন্য দিয়েছে, আমি মনে করি, সেই সুবিধা নিয়েই আজকে আপনাদের অর্ডারে অর্ডারে ভরে যাচ্ছে। আমরাও পোশাক শিল্পের উন্নতি চাই। এ শিল্পের সমস্যা খুঁজে বের করে তার সমাধান করছে এনবিআর। তবে, ঢালাওভাবে সুবিধা দিতে গেলে অনেক ক্ষেত্রে তার অপব্যবহার হতে পারে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY