লড়াইয়ে অংশ না নিলেও ইউক্রেনকে অর্থ দিচ্ছে মিত্ররা

0
97
লড়াইয়ে অংশ না নিলেও ইউক্রেনকে অর্থ দিচ্ছে মিত্ররা

ইউক্রেনকে বাঁচানোর লড়াইয়ে না জড়ালেও, রাশিয়ার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা। আরোপ করা হয়েছে কঠোর অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে থাকা রাশিয়ার সম্পদ জব্দ করাও শুরু হয়ে গেছে। এসবের উদ্দেশ্য রাশিয়াকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করা।

ইউক্রেনকে রক্ষার বদলে রাশিয়ার সম্পদের দিকেই চোখ যুক্তরাষ্ট্রের। সামনা-সামনি লড়াইয়ে না নামলেও, অর্থনৈতিকভাবে মস্কোকে আঘাত করার কোনো সুযোগই হাতছাড়া করছে না যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও খোলাখুলি বলেছেন রাশিয়াকে আর্থিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়াই তাদের উদ্দেশ্য।

রাশিয়ার জনগণের কাছে পুতিনকে অজনপ্রিয় করাও এসব নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্য। যেন পুতিনের বিকল্প কাউকে বেছে নেয় রুশ জনগণ, যিনি হবেন পশ্চিমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য।

নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে পুতিনঘনিষ্ঠ রাশিয়ার বেশ কয়েকজন ধনী ব্যবসায়ী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে এসব ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের মালিকানায় থাকা সব সম্পদ জব্দ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই অর্থনৈতিক লড়াইয়ে তাল মিলিয়েছে তার ইউরোপীয় মিত্ররা। অবশ্য তারাও এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তেল ও গ্যাসের জন্য রাশিয়ার উপর নির্ভরশীল ইউরোপ। তবে ভবিষ্যতের লাভের আশায় ক্ষতি স্বীকার করেই রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় সায় দিয়েছে ইউরোপীয়রা।

ইউক্রেনে সেনা অভিযানের জবাবে রাশিয়ার প্রধান প্রধান ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বাদ যায়নি রাশিয়ার জ্বালানি খাত, টেলিযোগাযোগ, প্রতিরক্ষা, রেল, নৌখাত এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো।

এরইমধ্যে এসব অবরোধের প্রভাব দেখা দিয়েছে রাশিয়ায়। ধস নেমেছে মস্কোর স্টক মার্কেটে, রেকর্ড হারে পড়ে গেছে রাশিয়ার মুদ্রা রুবলের মান। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের আর্থিক নিষেধাজ্ঞায় রাশিয়ার ক্ষতির পরিমাণ ছাড়িয়ে যাবে ১ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY