ভোলায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০

0
104
ভোলায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ভোলা সদরের রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হেলাল ও পরাজিত সদস্য কবির গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ২ জন গুলিবিদ্ধসহ ১০ জন আহত হয়েছে।

বুধবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনায়েত হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে একই দিন সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শ্যামপুরের ক্লোজার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গুলিবিদ্ধরা হলেন, কবির মঞ্জু ও আনোয়ার গাজী। এছাড়া নুর নবী শিয়ালী ও সাত্তার বেপারিসহ আরও ১০ জন আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিন ধরে হেলাল মেম্বার ও পরাজিত কবির মেম্বার গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। এরই জের ধরে আজ বুধবার সকালে ক্লোজার বাজারে দুই গ্রুপ মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি ও গোলাগুলি শুরু হয়। হেলাল গ্রুপের লোকজনের গুলিতে কবির গ্রুপের ২ জন গুলিবিদ্ধ হয়। আহত হয় আরও ১০ জন।

এদিকে এ ঘটনায় মিন্টু দেওয়ান, আলী শিয়ালী ও রুবেল নামে ৩ জনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করেছে পুলিশ।

গুলিবিদ্ধ কবির মঞ্জু বলেন, গত বুধবার আমার ভাইয়ের সঙ্গে হেলালের ঝামেলা হয়। ওই ঘটনায় মঙ্গলবার আমার ভাই ভোলা সদর থানায় একটি মামলা করেন। মামলার জেরে আজ সকালে ক্লোজার বাজারে মসজিসের সামনে বেরিকেট দিয়ে মিন্টু দেওয়ান, আলী শিয়ালী, তাহের ও রুবেলসহ ১০ থেকে ১৫ জন আমাদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি করে এবং বগিদা ও রামদা দিয়ে কোপাতে থাকে।

গুলিবিদ্ধ আনোয়ার গাজী বলেন, আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাজারে যাওয়ার সময় গুলির শব্দ শুনে সামনে এগিয়ে যাই। দেখি, কবির মঞ্জুর ওপর হেলালের লোকেরা গুলি করছে ও দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাচ্ছে।

এ বিষয়ে হেলাল মেম্বার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা এ ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত না। আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনায়েত হোসেন বলেন, এ ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে এক ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY