জুরাইনের ঘটনায় যে-ই অপরাধ করুক, বিচার হবে: আপিল বিভাগ

0
108
গ্রামীণফোনের চাকরিচ্যুতদের ক্ষতিপূরণের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট

রাজধানীর জুরাইনে মোটরসাইকেল আরোহী এক দম্পতির সঙ্গে কথা-কাটাকাটির জেরে ট্রাফিক সার্জেন্টসহ পুলিশ সদস্যদের ওপর স্থানীয় লোকজনের হামলার ঘটনায় পুলিশ কিংবা আইনজীবী যে-ই অপরাধ করুক, তার বিচার হবে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) ওই ঘটনার মামলায় দুই আইনজীবীর রিমান্ড মঞ্জুরের পর মামলার নথি তলব করে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশ স্থগিতের বিষয়ে শুনানির সময় এ মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ।

রিটের পক্ষের আইনজীবীদের উদ্দেশে আপিল বিভাগ বলেন, আপনারা বিচারিক আদালতে দুই আইনজীবীর জামিন আবেদন করুন। তারা জামিন না দিলে হাইকোর্টে জামিন আবেদন করুন। হাইকোর্টে জামিন না দিলে তারপর আমরা দেখব।

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, পুলিশ অপরাধ করলে তার বিচার হবে, আর যদি আইনজীবী অপরাধ করে তারও বিচার হবে।

আদালতে আইনজীবীদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মুরাদ রেজা, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ব্যারিস্টার অনিক আর হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ (এএম) আমিন উদ্দিন।

পরে রোববারের মধ্যে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষকে লিভ-টু-আপিল করতে নির্দেশ দেন এবং শুনানি মুলতুবি করেন আদালত।

গত ১২ জুন এ মামলায় দুই আইনজীবীকে রিমান্ডে নেওয়ার ঘটনায় মামলার নথি তলবের আদেশ স্থগিত করেন চেম্বার আদালত। ৮ জুন মামলায় দুই আইনজীবীসহ পাঁচজনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালত।

রিমান্ডের আদেশ পাওয়া আসামিরা হলেন শিক্ষানবিশ আইনজীবী সোহাবুল ইসলাম রনি, তার শ্যালক আইনজীবী ইয়াসিন আরাফাত, স্থানীয় বাসিন্দা মো. শরীফ, মো. নাহিদ ও মো. রাসেল। তবে মামলার আরেক আসামি আইনজীবী ইয়াসিন জাহান ভূঁইয়া নিশানকে জামিন দেন আদালত।

পুলিশের দাবি, গত ৭ জুন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উল্টোপথে মোটরসাইকেলে যোগে রনি ও নিশান আসছিলেন। সে সময় সার্জেন্ট মোহাম্মদ আলী তাদেরকে থামিয়ে কাগজপত্র দেখতে চান। কিন্তু তারা সার্জেন্টের ওপর চড়াও হন এবং আশপাশের লোকজনকে ডেকে পুলিশের বিরুদ্ধে উসকে দেন। এছাড়া নিশানের কাছ থেকে তার ছোটভাই ইয়াসিন ফোনে খবর পেয়ে ৩৫০-৪৫০ জন লোক নিয়ে এসে সার্জেন্ট মোহাম্মদ আলীর ওপর হামলা এবং ট্রাফিক পুলিশ বক্স ভাঙচুর করেন।

এ ঘটনায় সাড়ে ৪০০ জনকে আসামি করে মামলা করেন ট্রাফিক সার্জেন্ট মোহাম্মদ আলী হোসেন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY