ইরানের মুখপাত্র ‘গোপন টানেল নেটওয়ার্ক’ নিয়ে যা বললেন

0
79

ইরানের আণবিক শক্তি সংস্থার মুখপাত্র বেহরুজ কামালবান্দি বলেছেন, ইরান তার ‘কারাজ’ পরমাণু স্থাপনার তৎপরতা ‘নাতাঞ্জ’ স্থাপনায় সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনার কথা আগেই আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ’কে জানিয়েছিল। তিনি আরো বলেছেন, ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলোকে আরো বেশি সুরক্ষিত রাখার উদ্দেশ্যে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

কামালবান্দি ইরানের নূর নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে একথা জানান। গত বছর কারাজের ‘তেসা’ পরমাণু স্থাপনায় নাশকতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে এই মুখপাত্র বলেন, নাতাঞ্জ পরমাণু স্থাপনার নিকটবর্তী একটি স্থানে ‘তেসা’র তৎপরতা সরিয়ে নেয়া হলে একই ধরনের নাশকতামূলক তৎপরতা প্রতিহত করা সম্ভব হবে।

ইরানের নাতাঞ্জ পরমাণু স্থাপনার অভ্যন্তরের একটি দৃশ্য (ফাইল ছবি)
ইরানের নাতাঞ্জ পরমাণু স্থাপনার অভ্যন্তরের একটি দৃশ্য (ফাইল ছবি)

গত বছর জুন মাসে রাজধানী তেহরানের নিকটবর্তী কারাজের তেসা কমপ্লেক্সে নাশকতামূলক হামলা হয় যার জন্য ইহুদিবাদী ইসরাইলকে দায়ী করে তেহরান। ওই হামলায় পরমাণু স্থাপনাটির সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো নষ্ট হয়ে যায়।

সম্প্রতি পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো তাদের ভাষায় ‘চাঞ্চল্যকর খবর’ প্রচার করে দাবি করে, ইরানের নাতাঞ্জ পরমাণু স্থাপনার আশপাশে সন্দেহজনক তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ সম্পর্কে বেহরুজ কামালবান্দি বলেন, নাতাঞ্জের আশপাশে যে উন্নয়ন কর্মসূচি ও নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছে সে সম্পর্কে আইএইএ’কে আগেই অবহিত করা হয়েছে যদিও ইরান তা জানাতে বাধ্য ছিল না।

মার্কিন দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস গত বৃহস্পতিবার অজ্ঞাত ইসরাইলি ও মার্কিন গোয়েন্দা সূত্র উদ্ধৃত করে দাবি করে, ইরান তার নাতাঞ্জ পরমাণু স্থাপনার দক্ষিণ অংশে ‘বিশাল টানেল নেটওয়ার্ক’ নির্মাণ করছে ওই খবরে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ওই নেটওয়ার্কের নির্মাণকাজ পর্যবেক্ষণ করছে। তবে বাইডেন প্রশাসন এ বিষয়ে তেমন উদ্বিগ্ন নয়।#

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY