ক্রিকেটার স্বামীর শাস্তির দাবিতে বিসিবির সামনে স্ত্রীর মানববন্ধন

0
123
সংগৃহীত

সন্তানদের বাবার অধিকার নিশ্চিত করার জন্য স্বামীর সংসার করার লক্ষ্যে এবার মানববন্ধনে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেটার আল আমিনের স্ত্রী ইসরাত জাহান। আজ (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবি ভবনের সামনে এই ক্রিকেটারের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনে দাঁড়িয়েছে ইসরাত ও তার পরিবারের লোকজন।

ক্রিকেটার স্বামীর শাস্তির দাবি তুললেও ইসরাত চাইছেন তার সন্তানরা তাদের বাবাকে ফিরে পাক। দীর্ঘ দুই বছর ধরে সন্তানরা নিজেদের বাবা আল আমিনকে কাছে পাচ্ছেন না এমন আক্ষেপও জানিয়েছেন ইসরাত।

এ জন্য শাস্তির দাবি জানালেও আপোষের পথ খোলা রেখেছেন ইসরাত জাহান। এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর স্বামী আল আমিনের বিরুদ্ধে নির্যাতন থেকে শুরু করে আরেক বিয়ে এবং বাসা থেকে বের করে দেওয়ার মতো অভিযোগ নিয়ে মিরপুর মডেল থানায় যান ইসরাত।

সেখানে অভিযোগ জানানোর পর ২ সেপ্টেম্বর মামলা নথিভুক্ত করেন পুলিশরা। এরপর থেকে পলাতক হয়ে আছেন আল আমিন। মিরপুর ২ নাম্বারে এই ক্রিকেটারের বাসায় তাকে গ্রেপ্তার করতে গেলে পায়নি পুলিশ। এখন পর্যন্ত এই ক্রিকেটারের হদিসও পায়নি পুলিশ।

এই বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার এসআই মো. সোহেল রানা গণমাধ্যমে জানিয়েছিলেন, যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন, মারধর ও বাচ্চাসহ বের করে দেওয়ার অভিযোগে এজাহারভুক্ত আসামি আল আমিন হোসেন পলাতক রয়েছেন। তাকে বাসায়ও পাওয়া যায়নি। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

এবার আল আমিনের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনে দাঁড়ালেন স্ত্রী ইসরাত জাহান। যেখানে গণমাধ্যমে বিসিবি এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ আশা করে আল আমিনের স্ত্রী আরও যোগ করেন, ‘আমি আপনাদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানাই। তিনি একজন মা, আমার দুটি বাচ্চাকে নিয়ে আমি কোথায় যাব। আমি তার কাছে সাহায্য চাই। তিনি যেন সুষ্ঠুভাবে বিচার করে দেন।

বিসিবির কাছেও আমার একই আবেদন। আপনারা আমাকে সাহায্য করুন। আমি এখন পুলিশের সাহায্যে তার বাসায় আছি। সেখানে আল আমিনের পরিবারও আছে গত ২৫ আগস্ট থেকে। কিন্তু আমাকে সে কোনো খরচ দিচ্ছে না। আমার পরিবার আমাকে চালাচ্ছে।

দুই বছর যাবত আমার বাচ্চারা তাদের বাবাকে পাচ্ছে না। আমি চাই আমার বাচ্চারা বাবাকে পাক। মা-বাবা নিয়ে আমার সন্তানরা বড় হোক।

ক্রিকেটার আল আমিন ও ইসরাত দম্পতির দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে। বড় সন্তানের বয়স ছয় বছর এবং ছোটজনের বয়স তিন বছর।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY