দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহর প্রতি ড. সাদের শুভেচ্ছা ও সংহতি বার্তা

মানবিক সমাজ ও আন্তর্জাতিক সংহতির ডাক

Google search engine

সম্পাদকীয় ডেস্ক | ভয়েস অফ জার্নাল |
(ঢাকা, ২০২৬)

মানবিক সমাজ ও আন্তর্জাতিক সংহতির ডাক

সুদীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনা ও আত্মশুদ্ধির পর রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে আমাদের দুয়ারে আবারও ফিরে এসেছে ইসলামের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত এই খুশির মাহেন্দ্রক্ষণে দেশবাসী এবং বিশ্বের সকল মুসলিম উম্মাহকে অন্তরের অন্তস্তল থেকে ঈদ মোবারক ও আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশিষ্ট প্রযুক্তিবিদ, কলামিস্ট এবং ‘ভয়েস অফ জার্নাল’-এর প্রকাশক ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. সাদ (ড. সাদ ফয়সাল আহমেদ)।

এক বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তায় ড. সাদ বলেন, “পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের মাঝে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব এবং সহমর্মিতার এক অনন্য বার্তা নিয়ে আসে। দীর্ঘ এক মাস আত্মসংযমের পর এই দিনটি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য এক বিশেষ উপহার। ঈদের এই অনাবিল আনন্দ যেন প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে যায়, এটাই আমার ঐকান্তিক প্রার্থনা।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে মানবিক মূল্যবোধ ও ভ্রাতৃত্ববোধের চর্চা করা অত্যন্ত জরুরি। ড. সাদ বিশেষ করে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং সকল মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও সংহতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “আসুন, আমরা সকলে মিলে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেই এবং একটি শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ হই।”

উল্লেখ্য যে, ড. সাদ ফয়সাল আহমেদ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একজন প্রভাবশালী এবং বহুমুখী ব্যক্তিত্ব হিসেবে সুপরিচিত। তিনি বর্তমানে দেশের শীর্ষ প্রযুক্তি সংগঠন বেসিস (BASIS)-এর স্টার্টআপ বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির কো-চেয়ারম্যান হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি খ্যাতনামা আইটি প্রতিষ্ঠান ইনফোনেক্স সফটওয়্যার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড (Infonex Software International Limited)-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও এবং এলিগ্যান্ট গ্রুপ (Elegant Group)-এর সুযোগ্য চেয়ারম্যান হিসেবে সফলভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

তাঁর বহুমুখী নেতৃত্বের ছাপ রয়েছে শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও। তিনি ঢাকা ডিস্ট্রিক্ট অ্যান্ড সেশনস জজ কোর্টের একজন অ্যাপ্রেন্টিস লয়ার, নাসার আন্তর্জাতিক মহাকাশ অ্যাপস চ্যালেঞ্জের (NASA International Space Apps Challenge) মেন্টর, এবং আইসিটি অলিম্পিয়াড বাংলাদেশের (ICT Olympiad Bangladesh) ইন্ডাস্ট্রি স্কলার হিসেবে তরুণ প্রজন্মের অনুপ্রেরণা হয়ে কাজ করছেন। গণমাধ্যমের সাথে তাঁর সম্পৃক্ততা গভীর; তিনি ‘ভয়েস অফ জার্নাল’-এর প্রকাশক ছাড়াও ‘দৈনিক সমাবেশ’ পত্রিকার জয়েন্ট এডিটর হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

শুভেচ্ছা বার্তার শেষে ড. সাদ ফয়সাল আহমেদ মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন যেন এই ঈদ সকলের জীবনে বয়ে আনে অনাবিল প্রশান্তি, সমৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্য।

সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ঈদ উপহার বিনিময়

পবিত্র ঈদুল ফিতরের এই উৎসবমুখর ক্ষণে ‘ভয়েস অফ জার্নাল’-এর প্রধান কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এসময় পোর্টালের প্রতিষ্ঠাতা ও চিফ এডিটর ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মারুফ সিদ্দিকী তাঁর প্রিয় মেন্টর ও প্রতিষ্ঠানের অভিভাবক, ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. সাদ-কে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। সাক্ষাৎকালে তাঁরা পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময় করেন এবং চিফ এডিটরের পক্ষ থেকে ড. সাদ-কে একটি বিশেষ ঈদ উপহার প্রদান করা হয়।

এসময় ইঞ্জিনিয়ার মারুফ সিদ্দিকী বলেন, “ড. সাদ স্যারের দক্ষ নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা আমাদের এই পোর্টালকে আজ এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে। তাঁর দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।” ড. সাদ-ও চিফ এডিটরের এই আন্তরিকতায় মুগ্ধতা প্রকাশ করেন এবং ভয়েস অফ জার্নাল পরিবারের সকলের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।

বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ড. সাদ এক গুরুত্বপূর্ণ কলামে বলেন, “আমরা যখন ঈদের আনন্দে মেতে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছি, তখন ইরানসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যুদ্ধের ভয়াবহতা আমাদের ব্যথিত করে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা এবং নিরপরাধ মানুষের রক্তপাত কোনোভাবেই কাম্য নয়। ইসলাম শান্তির ধর্ম এবং ঈদ আমাদের সেই শান্তির বার্তাই দেয়। আমি বিশ্ব নেতাদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাই—অস্ত্রের আস্ফালন বন্ধ করে আলোচনার মাধ্যমে সকল সমস্যার সমাধান করুন। যুদ্ধের বিভীষিকা যেন কোনো শিশুর শৈশব কেড়ে না নেয়, কোনো মায়ের কোল খালি না করে। এই ঈদে আমাদের প্রার্থনা হোক—পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্ত থেকে যুদ্ধের কালো মেঘ সরে গিয়ে শান্তির সুবাতাস বইবে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “মানবিক মূল্যবোধ ও ভ্রাতৃত্ববোধের চর্চা করা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। আসুন, আমরা সকলে মিলে একটি শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন বিশ্ব গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ হই।”

Google search engine